হিমালয়ান পিংক সল্ট হচ্ছে এমন লবণ যা হিমালয় পর্বতের এলাকার স্ফটিক থেকে থেকে তৈরি পৃথিবীতে পাওয়া সবচেয়ে বিশুদ্ধ লবণ, বিষাক্ত ও দূষিত পদার্থ মুক্ত। সেখানে এটি “হোয়াইট গোল্ড” নামে সুপরিচিত। এই লবণের অনন্যতার কারণ হচ্ছে এর গোলাপি বর্ণ যা আয়রন অক্সাইডের উপস্থিতির জন্য হয়ে থাকে। এজন্য এ লবণকে “পিংক সল্ট” ও বলা হয়।

শারীরিক ও মানসিক সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করতে ১ বছর+ বয়সী শিশু থেকে শুরু করে পরিবারের খাবারে অন্যান্য লবণের পরিবর্তে হিমালয়ান পিংক সল্ট রাখুন কারণ


এতে ৮৪ রকমের মিনারেলস আছে।

ব্রেইন ডেভেলপমেন্ট এ সাহায্য করে।

শরীরের তরলের ভারসাম্য রক্ষা করে
হিমালয়ান পিংক সল্টে বিভিন্ন ধরণের ইলেক্ট্রোলাইট থাকে যা শরীরের আর্দ্রতা নিয়ন্ত্রণ করে

পরিপাক নালী পরিষ্কার করে হজমে সাহায্য করে।

শরীরের pH এর ভারসাম্য রক্ষা করে

হাড় ও দাঁতের স্বাস্থ্যের উন্নতিতে সাহায্য করে

ব্লাড সুগার স্বাভাবিক রাখতে সাহায্য করে

পেশীর সংকোচন প্রতিরোধ করে

ভালো ঘুম হতে সাহায্য করে।

শরীরকে বিষমুক্ত হতে সাহায্য করে। হিমালয়ান সল্ট গোসলের পানিতে ব্যবহার করলে শরীরের কোষগুলো পুনরুজ্জীবিত ও বিষমুক্ত হয়। এই লবণের খনিজ উপাদানগুলো পানিতে স্থানান্তরিত হয়। তাই যখন এই পানি দিয়ে গোসল করা হয় তখন শরীরের কোষ ও রক্তস্রোত থেকে বিষাক্ত পদার্থ বাহির হয়ে যায়। তাই স্পা করতে এ সল্ট ব্যবহৃত হয়।

শ্বাসতন্ত্রের রোগ থেকে মুক্তি দেয়। সাইনুসাইটিস, অ্যাজমা, ব্রংকাইটিস বা অ্যালার্জি থেকে নিরাময়ে সাহায্য করে হিমালয়ান সল্ট। শ্বসনতন্ত্রকে পরিষ্কার হতে ও ক্ষতিকর পদার্থ বাহির হয়ে যেতে সাহায্য করে। গরম পানিতে পিংক সল্ট দিয়ে এর ভাপ নিন।